কোয়ান্টাম পরিবারের প্রিয় সদস্য ও শুভানুধ্যায়ী,
আসসালামু আলাইকুম!
শুভ কোয়ান্টাম বর্ষায়ন!
২৬ পেরিয়ে আমরা পদার্পণ করছি ২৭ তম বর্ষে। সিকি শতাব্দী ধরে আত্মনির্মাণ ও সৃষ্টির সেবার মধ্য দিয়ে দেশের জনশক্তিকে মানব সম্পদে রূপান্তরে যে অনন্য ভূমিকা রেখেছে কোয়ান্টাম, তার নেপথ্য নায়ক আপনারাই। সবরকম ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে ঘরে ঘরে আপনারা কোয়ান্টামের বাণী পৌঁছে দিয়েছেন বলেই সম্ভব হয়েছে এ ইতিবাচক পরিবর্তন। সুখী জীবনের কোয়ান্টাম সূত্রগুলোর চর্চা আজ আমাদের দেশেই যে শুধু বেড়েছে তা নয়, বরং অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বিশ্বের প্রথমসারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে। আমাদের পাঠ্যসূচিতেও এর অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এ কৃতিত্বও আপনাদেরই।
কোয়ান্টাম বর্ষ ২৬ বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ভার্চুয়াল ভাইরাস সচেতনতা সৃষ্টিতে আপনাদের নিরবচ্ছিন্ন তৎপরতায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অভিশাপ সম্পর্কে আজ শুধু আমাদের দেশের সাধারণ মানুষই সচেতন হন নি, এর প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বে! নড়ে উঠেছে ফেসবুকের ভিত। স্মার্টফোনরূপী শয়তানের বাক্স ব্যবহার এবং সন্তানকে এ থেকে বিরত রাখতে বেড়েছে সচেতনতা। দেশ-বিদেশের বহু স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার এখন নিষিদ্ধ। এ অভাবনীয় রূপান্তরও আপনাদের সঙ্ঘবদ্ধ ও ঐকান্তিক প্রয়াসেরই ফল।
কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম এই প্রথমবারের মতো সফল হয়েছে একবছরে লক্ষাধিক ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহ করতে। সম্মানিত রক্তদাতাদের আন্তরিক দানেই সম্ভব হয়েছে এ অসামান্য অর্জন। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা।
আমরা জানি, জীবন মানে ক্রমাগত এগিয়ে চলা। মানুষের আস্থা এখন আমাদের ওপর। তারা জানে কোয়ান্টাম শুদ্ধাচারের কথা বলে, কল্যাণের কথা বলে। শান্তির কথা বলে। বলে দেশকে ভালবাসার কথা। এ প্রেক্ষিতে আমরা চাই শান্তি শুদ্ধাচার ও ভালবাসার সূত্র সবার কাছে পৌঁছে দিতে। তাই ‘নিজের কাজ সবচেয়ে ভালোভাবে করাই প্রকৃত দেশপ্রেম’- এই স্টিকারটি পৌঁছে দিতে হবে দেশের সকল তরুণের হাতে। পরিবারে ও সমাজে অনাবিল শান্তির জন্যে কারো সাথে দেখা হলেই বলতে হবে ‘আসসালামু আলাইকুম’ আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক!
আসুন আমরা একসাথে তিনবার বলি-
১. আসসালামু আলাইকুম
২. আসসালামু আলাইকুম
৩. আসসালামু আলাইকুম।
এখন থেকে ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাইকে আগে সালাম দিন। শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক আমাদের জীবন। পরম করুণাময় আমাদের সহায় হোন!
খোদা হাফেজ! আসসালামু আলাইকুম!









