arrow_forward
বর্ষায়নে গুরুজীর বাণী (২০২০)

বর্ষায়নে গুরুজীর বাণী (২০২০)

ফরম্যাট: MP3

প্রকাশিত: ২০২০-০১-০২

আপডেট: ২০২০-০১-০২

Tags

কোয়ান্টাম পরিবারের প্রিয় সদস্য ও শুভানুধ্যায়ী, আসসালামু আলাইকুম! শুভ বর্ষায়ন।

কোয়ান্টাম ২৭ বছর পেরিয়ে আজ পদার্পণ করল ২৮ বছরে। ২০২০ এর এই শুভক্ষণে পরম করুণাময়ের কাছে আমাদের প্রার্থনা:

২০২০-এ জাতি জেগে উঠুক নতুন আশাবাদ ও প্রত্যয়ে। অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি বাংলাদেশ হয়ে উঠুক নৈতিক পুনরুত্থানের অনুঘটক। ভোগবিলাস, মাদক, জুয়া ও ঋণে নিমজ্জিত অস্থির-অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে উত্থান ঘটুক প্রশান্ত প্রত্যয়, সমমর্মিতা ও সামাজিক সুবিচারের। সুখী মানুষের দেশ হওয়ার পথে প্রিয় দেশ এগিয়ে যাক আরেক ধাপ।

প্রিয় শুভানুধ্যায়ী! আপনি জানেন, স্বাধীনতার এক দশক পর জাতি যখন ঘোর হতাশায় নিমজ্জিত, মানুষের অন্তর যখন নেতিবাচকতায় আচ্ছন্ন, তখন আমরা অনুভব করেছিলাম- ভালো থাকার জন্যে আমাদের প্রথম বলতে হবে ‘ভালো আছি’।

সেই সাথে অনুভব করলাম- আমাদের একটা অন্তর্জাগরণ প্রয়োজন। আর এই অন্তর্জাগরণ ও আশাবাদের পুনরুত্থান সম্ভব একমাত্র ধ্যানের স্তর থেকেই। ধ্যানকে দৈনন্দিন জীবনের অনুষঙ্গ করার সূচনা হলো ১৯৮৩ সালে ‘যোগ মেডিটেশন কেন্দ্র’ স্থাপনের মধ্য দিয়ে। আশাবাদের বিস্তারের জন্যে শুরু করলাম ‘ভালো আছি’ বলা।

এক দশকের প্রয়াসে আত্মজাগরণের স্বপ্ন রূপ নিল বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় ১৯৯৩ সালে ‘কোয়ান্টাম মেথড‘ নামে।

প্রিয় শুভানুধ্যায়ী! আপনি জানেন, সিকি শতাব্দীর এই পরিক্রমায় কোয়ান্টামের আশাবাদ সঞ্চারিত হয়েছে জাতীয় মানসে। আন্তর্জাতিক জরিপ অনুসারেই আশাবাদী মানুষের দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন সবার শীর্ষে। ‘ভালো আছি‘ বলার শক্তি আর ধ্যানের মহিমাকে আমরা ইতিমধ্যেই প্রত্যক্ষ করেছি।

এখন প্রয়োজন ধ্যানচর্চার মাধ্যমে আশাবাদকে প্রশান্ত প্রত্যয়ে রূপান্তর। তাই নিজে ধ্যানচর্চা করুন। আশেপাশের অন্তত একজনকে ধ্যানচর্চায় শামিল করুন। একজনকে বরকতায়নে একাত্ম করুন। বাস্তব সামাজিক যোগাযোগ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে ভার্চুয়াল ভাইরাসের অভিশাপ থেকে মুক্ত হোন। চারপাশে ৪০ ঘরে যোগাযোগ বাড়ান। সন্তানকে ভালো ছাত্র বানানোর পাশাপাশি ভালো মানুষ বানাতে উদ্বুদ্ধ করুন। পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে আপনি হোন ভালো মানুষের প্রতীক।

পরম করুণাময় আমাদের সহায় হোন।

খোদা হাফেজ!

আসসালামু আলাইকুম। বরকতান বরকতান। কোয়ান্টাম কোয়ান্টাম।